রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৬:১৯
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

ফেসবুক পেজ নিয়ে বিরোধে সহযোগীর ভাইয়ের হাত ভাঙলো ‘বিনোদন ভাই’

ডেস্ক রিপোর্ট ।। জনপ্রিয় ফেসবুক পেজ ‘বিনোদন ভাই’-এর মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মো. শফিকুল ইসলামের (১৮) বড় ভাই মো. শাহাদাৎ হোসেনের (২৪) ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ‘বিনোদন ভাই’ খ্যাত বনি আমিনের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে পটুয়াখালীর সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিচন্না গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় শাহাদাতকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন বছর ধরে মো. শফিকুল ইসলাম ও বনি আমিন যৌথভাবে ‘বিনোদন ভাই’ নামে ফেসবুক পেজটি পরিচালনা করছিলেন। পেজটি মনিটাইজেশনের আওতায় আসার পর বনি আমিন এককভাবে মালিকানা দাবি করেন, যা নিয়ে শফিকুলের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এরপর থেকেই শফিক পেজের কার্যক্রম থেকে দূরে সরে যেতে থাকেন।

স্থানীয়দের দাবি, পরিচিতি ও আর্থিক লাভের কারণে বনি আমিন তার পুরনো সহযোগী শফিকুলকে সরিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে শফিকুলের পরিবারের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। যে ঘটনার জের ধরে শফিকুলের বড় ভাই শাহাদাৎ হোসেন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে বনি আমিন ও তার সহযোগীরা শাহাদাতকে পিটিয়ে তার হাত ভেঙে দেন।

আহত মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আমি শুধু আমার ভাইয়ের ন্যায্য হিস্যার জন্য বিচার চেয়েছিলাম। কিন্তু সে কারণে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযুক্ত বনি আমিন হামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘আমি শাহাদাতকে মেরেছি এটা সত্যি, তবে টাকার কারণে নয়। আমাদের পারিবারিক সমস্যা রয়েছে, তাই মেরেছি।’

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে গতকাল বনি আমিন থানায় ফোন করে অভিযোগ করেছেন যে, তার ওপরও হামলা হয়েছে এবং তিনি মামলা করতে চান।’

হামলার পর থেকে শফিকুল ইসলাম ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন। তারা দ্রুত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।